আটকৃত রাবেয়া আক্তার জানান,আমার ফুপু জেসমিন আক্তার অসুস্থ থাকার কারণে দলিল লেখক ও অন্যান্যরা আমাকে সই করতে বলায় আমি সই করেছি। পরবর্তীতে বিষয়টি সাব রেজিস্টার বুঝে ফেলেছেন যে আমি দাতা জেসমিন বেগম নই। আসলে আমি বিষয়টি বুঝতে পারিনি।
সাব রেজিস্ট্রার নাহিদা জাহান মুনা বলেন, জেসমিন বেগম নামে এক নারীর জমি বিক্রির দলিল রেজিস্ট্রেশন সম্পাদনে দাতার উপস্থিতির প্রয়োজন পড়লে পরিচয় গোপন করে দাতার পরিবর্তনে আটককৃত রাবেয়া আক্তারকে হাজির করা হয়। তিনি নিজেকে দাতা জেসমিন বেগম বলেন। জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি ও তথ্যাদির অসংগতি দেখা দিলে কাগজপত্র পুণরায় যাচাই বাছাইয়ে জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে প্রতারণা করে জমি রেজিস্ট্রি করার পাঁয়তারার দায়ে অভিযুক্ত নারীকে পুলিশে দেয়া হয় ও দলিল প্রস্তুতকারী রাজিব খলিফার সনদ স্থাগিত করা হয়েছে।